+8801712919532, +8801715131464 info@deshghuri.com

সুন্দরবন ট্যুর প্যাকেজ: পরিবার বান্ধব শেয়ার্ড/গ্রুপ ট্যুর

বাংলাদেশ দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে সুন্দরবনের স্থান সবার উপরে। হাজারো বিদেশি পর্যটকের বাংলাদেশ ভ্রমণের প্রধান আকর্ষণ সুন্দরবন। পৃথিবীর সবচাইতে বড় ও এই জল বনে প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার যার প্রায় ৬০% বাংলাদেশে অবস্থিত। বাংলাদেশের সুন্দরবন ঘনবসতিপূর্ণ ছিল সবচাইতে বন। সুন্দরী, গরান, গাওয়া গাছ আর মানুষ খেকো রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার খ্যাত এই বনে, প্রতিমুহূর্ত যেন দুঃসাহসিক রোমাঞ্চ। সুন্দরবনে আছে ২৪৫ ধরনের পাখি আর ট্যুরে হরিণ, বুনো শুয়র, নানান প্রজাতির সাপ দেখা মিলে সহজেই। শীতের সকালে নাস্তা খেতে খেতে, কুমিরের রোদ পোহানো দৃশ্য দেখতে পাওয়াটাও কিন্তু এককথায় অনন্য সাধারণ। এককথায় নিজের দেশের এই অপার সৌন্দর্য, বুনো নীরব নিস্তব্ধতা আর প্রকৃতির আলিঙ্গনের স্বাদ সুন্দরবন ভ্রমণ ছাড়া, অননুভব করাটাই অসম্ভব।   দেশের অনন্যা স্থানের চাইতে খরচ একটু বেশি হওয়ায়, সুন্দরবনে দেশি পর্যটকদের পদচারণা তুলনামূলকভাবে একটু কম। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনায়, বাজেটের মধ্যেই সুন্দরবন ঘুরে আশা সম্ভব। এই ভাবনা হতেই, দেশি পর্যটকদের জন্য দেশঘুড়ি এই আয়োজন। কিছু কিছু বিশেষ দিন ছাড়া, নভেম্বর হতে ফেব্রুয়ারী মাসে প্রতি শুক্রবার (almost) আমাদের সুন্দরবন ট্যুর থাকছে। তাছাড়া দেশঘুড়ি-এর বিদেশী পর্যটকদের সাথে বছরজুড়ে বাজেটের মধ্যেই সুন্দরবন ঘুরে দেখার সুযোগ আছে।

সুন্দরবন ট্যুর ইটিনেরারি:

১ম দিন:
সকালে খুলনা পৌঁছে ঘাট হতে নোঙ্গর করা টুরিস্ট জাহাজে অতিথিদের পৌঁছে দেওয়া । সকলের কক্ষ বরাদ্দ নিশ্চিত করে সুন্দরবনের পথে যাত্রা। এরপর সকালের নাস্তা সেরে জাহাজের ছাদে, বারান্দা বা নিজ কক্ষে বসে রূপসা নদীর সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে করতে সামনে এগিয়ে চলা।

কয়েক ঘন্টা পর মংলা পৌঁছে বনবিভাগের প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে সসস্ত্র নিরাপত্তা রক্ষীদের নিয়ে সুন্দরবনের ভেতরে প্রবেশ করবে আমাদের টুরিস্ট জাহাজ ।
জাহাজের ছাদে বসে লাঞ্চ বা ডিনার সে এক অসাধারন অভিজ্ঞতা। এরপর হাড়বাড়িয়া পৌঁছে সেখানে ঘুরে কটকার পথে যাত্রা। রাতে জাহাজে রাত্রিযাপন।

২য় দিন:
খুব ভোরে চা বিস্কিট খেয়ে কটকা বীচ ও ওয়াচ টাওয়ার ঘুরে এসে সকালের নাস্তা সেরে আবার বন ভ্রমন। বনের ভিতর দিয়ে ৪৫ মিনিট হেটে জামতলা বীচে যাবো। বীচে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে জাহাজে ফিরে এসে রওনা দিব কচিখালির উদ্দেশ্যে। কচিখালী ট্রেইল ধরে ঘন্টাখানেক ঘুরে ডাকবো, আরো জানবো বন রক্ষীদের জীবন সম্পর্কে।

কচিখালির সূর্যাস্ত উপভযোগ করবো আর সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলেই দেখতে পাবো হরিণ, বনো শুয়োর বা মদন টাকের ধীরপায়ে নদীরধারে ঘুরে বেড়ানো।

৩য় দিন:
খুব ভোরে জোয়ারের উপর ভিত্তিকরে রওনা হয়ে আমরা দুপুরে পৌঁছে যাব করমজল। করমজলের ওয়াচ টাওয়ার, মিনি চিড়িয়াখানা, কুমির প্রজনন কেন্দ্র ইত্যাদি দেখে সন্ধ্যায় ফিরে আসব খুলনা/মংলা ফিরে আসবো।

ট্যুর নোট:
১) আমাদের ট্যুর সাধারণত খুলনা হতে শুরু হয় । কোনো সপ্তাহে ট্যুর মংলা হতে ও শুরু হতে পারে। সেক্ষেত্রে আমরা খুলনা হতে মংলা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবো। খুলনা হতে মংলা ৪৫ মিনিটের ড্রাইভ।
২) দেশঘুরি জীব বৈচিত্র, প্রকৃতি ও অথিতিদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতাকেই সবচাইতে বেশি গুরুত্ব দেয়। তাই স্পট সংখ্যা বাড়িয়ে হুড়োহুড়ি করে বেড়ানো বা কৃত্তিম কোনো চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা আমাদের সেবার অন্তর্ভুক্ত নয়।
৩) ঢাকা – খুলনা – ঢাকা বা দেশের অন্য স্থান হতে খুলনা যাতায়াত ট্যুরের অন্তর্ভুক্ত নয়। শুধুমাত্র গ্রুপ ট্যুরের ক্ষেত্রে অতিথিদের প্রয়োজনে আমরা সহযোগিতা করে থাকি।

প্যাকেজ ফি ও শিশু পলিসি:

→ বাংলাদেশী অতিথি: জনপ্রতি ৮,৫০০/=
→ বিদেশী অতিথি: জনপ্রতি ১৭,০০০/=
→ শিশু (৩-৫ বছর): ৪০০০/= (মা/বাবার সাথে বেড শেয়ার করে থাকবে)
→ শিশু (১-২ বছর): ফ্রি

নোট:
১) বুকিং এর জন্য সর্বনিম্ন ০২ জন প্রাপ্ত বয়স্ক অতিথি প্রয়োজন
২) একা ভ্রমনের জন্য আমাদের সাথে আগে যোগাযোগ করবেন
৩) বেশির ভাগ বিছানা সিঙ্গেল বা একজনের। মা বাবাকে সাথে শিশুদের বেড শেয়ারে কিছুটা সহনশীলতা প্রয়োজন

সুন্দরবন ট্যুর প্যাকেজে ভিতরে থাকছে:

→ খুলনা -সুন্দরবন-খুলনা টুরিস্ট জাহাজে ইটিনেরারি অনুযায়ী ভ্রমণ
→ প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও রাতের মজাদার খাবার
→ স্ন্যাকস, চা, কফি ইত্যাদি
→ রাত্রি যাপনের টুইন শেয়ারিং বেড
→ বনে প্রবেশের প্রয়োজনীয় অনুমোদন
→ নিরাপত্তার জন্য সশস্র ফরেস্ট গার্ড
→ অভিজ্ঞ গাইড

Tripadvisor Rating I loved the food that was served to us during our 3 days trip to Sundarbans … read more
Mariano

Uruguay

আপনারা কি ঢাকা হতে ঢাকা ট্যুর অরেঞ্জ করেন না ?
শুধুমাত্র বড় গ্রুপের প্রাইভেট ট্যুরের ক্ষেত্রেই আমরা ঢাকা হতে ট্যুর অরেঞ্জ করি।
ঢাকা হতে খুলনা কিভাবে যাব ? আপনারা কি টিকেটের ব্যবস্থা করবেন ?
বাস, ট্রেন বা প্লেইন (যশোর হয়ে), ৩ মাধ্যমেই খুলনা যাওয়া যায়. হুলারহাট বা বরিশালে লঞ্চে গিয়ে, প্রাইভেট car নিয়ে খুলনা যাওয়া যায়. প্রাপ্তি স্বাপেক্ষে বাস বা প্লেনের টিকেটের ব্যবস্থা আমরা করতে পারি, যার প্রয়োজনীয় খরচ অথিতির বহন করতে হবে। আমরা এই সার্ভিসের জন্য কোনো এক্ট্রা চার্জ নেই না। তবে আমরা ট্রেনের টিকেটের কোনো দায়িত্ব গ্রহণ করি না।
খুলনায় meetup পয়েন্ট কোথায় ?
খুলনায় BIWTC লঞ্চ ঘাট বা মংলায় পর্যটন হোটেল (পশূর)
আপনারা কি হিরণ পয়েন্ট যাবেন ?
আমাদের বেশির ভাগ ট্যুরে আমরা হিরণ পয়েন্ট কভার করি না। কারন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিক হতে হিরণ পয়েন্টের আবেদন এখন নেই বললেই চলে। তবে সময়, জোড়ার ভাঁটা ও জাহাজের অবস্থা ভেদে আমরা কিছু কিছু ট্যুরে হিরণ পয়েন্ট কভার করি।
আপনাদের ভেসেল / জাহাজ কয় জনের ?
সুন্দরবনের টুরিস্ট জাহাজ গুলো সাধারণত ০৮-৪৫ জনের হয়। শেয়ার্ড / গ্রুপ ট্যুরে অথিতিদের সংখ্যার উপর নির্ভর করে আমরা জাহাজ কন্ফার্ম করি। সুন্দরবন ট্যুরের জাহাজের রুম ২-৪ জন শেয়ার করেন। সাধারনত বিছানা টুইন শেয়ারিং ও ৪ বেড ব্যাঙ্ক(উপর – নিচ ) শেয়ারিং হয়। পাশের লিংককে দেওয়া ছবি বা জাহাজের কোয়ালিটি গুলোকে আপনি আমাদের শেয়ার্ড গ্রুপ ট্যুরের ভেসেলের স্ট্যান্ডের ধরতে পারেন
× WhatsApp us